বৃহস্পতিবার, ০৯ Jul ২০২৬, ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : বাড্ডার প্রগতি সরণি এলাকায় একটি অফিসে ডেকে নিয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সহযোগিতার জন্য দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে মূল আসামিকে পলাতক রয়েছেন।
স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শনিবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) তরুণীকে ভর্তি করা হয়েছে।
বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মাসুদুর রহমান জানান, পটুয়াখালীর ওই তরুণী উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর চাকরির খোঁজে ঢাকায় আসে। ৯ দিন আগে বাড্ডা হোসেন মার্কেটের পেছনে এক পরিচিত ব্যক্তির বাসায় ওঠে। সেখানে এক ব্যক্তি তাকে প্রগতি সরণির শেল্টার সিকিউরিটি সার্ভিসেস বিডি লিমিটেডে চাকরি পাইয়ে দেয়ার আশ্বাস দেন।
এরপর ১৭ জুলাই প্রগতি সরণির গ-৯৭/১ নম্বর ভবনের চারতলার ওই কোম্পানির অফিসে নিয়ে যান এবং অফিসের দরজা বন্ধ করে ধর্ষণ করেন। দ্বিতীয় আসামি অপারেশন ম্যানেজার শহিদুল হক রুমের বাইরে থেকে দরজার তালা আটকে দেন। সিকিউরিটি কোম্পানির ম্যানেজিং ডিরেক্টর জাহিদ হাসানও ধর্ষণে সহায়তা করেন।
বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ: শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি জানান, শ্রীপুরে ধর্ষণের বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক কিশোরীকে (২০) ধর্ষণ করে পালিয়েছে ইউপি সদস্য কলিম উদ্দিন।
উপজেলার নয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নয়াপাড়া গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে পারভেজ আহম্মেদ ও কাওরাইদ ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য কলিম উদ্দিনকে অভিযুক্ত করে শনিবার মামলা হয়েছে।
জানা গেছে, পিকআপ চালক পারভেজ আহম্মেদের সঙ্গে ওই কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ১৮ জুলাই রাতে পারভেজ ওই কিশোরীকে বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।
অভিযুক্ত ইউপি সদস্য কলিম উদ্দিন পরদিন রাত ৮টায় ওই বাড়িতে যান। তাকে তার প্রেমিক পারভেজের সঙ্গে বিয়ের বন্দোবস্ত করে দেয়ার কথা বলে মোটরসাইকেলে করে তার বাড়ির উদ্দেশে রওয়ানা হয়।
রাত ১০টায় পথিমধ্যে শালবনের ভেতরে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে ফেলে যায়। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় ক্লিনিকে যায়।
নগরকন্ঠ.কম/এআর